by

  গ্রামের এক ভিক্ষুকের মুখে ফিবোনাক্কি রাশিমালা শুনলে চমকে উঠারই কথা। সাইফুর রহমান সাহেব চমকেই উঠলেন। তিনি চোখ বড় বড় করে বললেন, তুমি এগুলা কীভাবে জানলে? মজিদ মিয়া অমায়িক ভঙ্গিতে হাসে। মাটির দিকে তাকিয়ে বলে, চিন্তায় পাইছি। জটিল চিন্তা। একবার শুরু হইলে শেষ হইতে চায় না। রহমান সাহেবের খটকা লাগল। এতবড় গণীতের তথ্য চিন্তা করে

by

এক কাকডাকা দুপুরে ঘামতে ঘামতে আফজাল সাহেব অনুভব করলেন তার শরীরের চামড়া শক্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি ঘামাচির যন্ত্রণায় চুলকালিচ্ছেন আপন চামড়া অন্যমনস্কভাবে এবং এই সময়েই হঠাৎ তিনি চমকে উঠেন চামড়ার পুরুত্ব দেখে। তার চামড়া গন্ডারের চামড়ার মত পুরো হয়ে গেছে। আফজাল সাহেব আতঙ্কে প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন, যখন দেখলেন তার চামড়ার রঙ। কালো কালো। তিনি

by

    তারপর গল্প শুরু হইল মবিনুদ্দিনরে দিয়া। মবিনুদ্দিন হচ্ছেন মধ্যবয়স্ক, পয়সাওয়ালা লোক যিনি এক্সপোর্ট ইমপোর্টের ব্যবসা কইরা এত টাকা কামাইছেন যে তারে সমাজের বিচারে কওয়া যায় একজন সফল মানুষ। মবিনুদ্দিন হইলেন পত্রিকায় ফিচার নিউজ হওয়ার মত সফল মানুষ। তার টাকা, বাড়ি, গাড়ি, স্ত্রী , পুত্র কন্যাদির কথা বলব না। না বললেও কোন কোন পাঠকের

by

বাজী

    লোকটি হে হে হে করে টেনে টেনে হেসে বলল, বাজী ধরবেন? বাজী? চায়ের দোকানে বসেছিলাম আমি সহ আরো তিনজন। তাদের মধ্যে একজন মধ্যবয়স্ক। মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে দুনিয়ার কোন কিছুতে তার কোন আগ্রহ অবশিষ্ট নেই। আরেকজন সাহেব গোছের লোক। এই চায়ের দোকানে কেন এবং কীভাবে এসে পড়েছেন তা এক বিস্ময়। আর তৃতীয় জন

by

রাস্তার পাশের বিশাল ছবিটিকে কেন্দ্র করে একটি গল্প

\ শহরের মূল রাস্তার সাথে গইলাপাড়া ঢোকার গলি যেখানে মিলেছে তার কিছুটা সামনে যেখানে ছড়াটি ছিল, কয়দিন আগে যে ছড়ায় একটি মরা হাঁস পচে দূর্গন্ধ ছড়িয়েছিল, বার্ড ফ্লু এবং ভয়ানক দূর্গন্ধ থেকে বাচঁতে নগরবাসী তখন নাকে কাপড় চেপে আসা যাওয়া করত সেখানটায়, একটু বা দিকে রাস্তার পাশে মোটা লোহার পিলারের উপরে একদিন সরকারী লোকেরা দেশের

by

আমাদের এলাকায় যেভাবে বান্দরের আগমন ঘটিল

এত এত পানির ডেগ জড়ো হইছিল যে সব গুলাতে লবন গুড় ঢালতে আর নাড়তে নাড়তে আসরের আযান পইড়া গেল। জহীরুদ্দিন গলা খাকারি দিয়া কইলেন, চলেন মুসল্লীরা, ভালোকাজের আগে নামায পইড়া আসি।

by

কিশোরগঞ্জের স্কুল শিক্ষক শাহীনুর পাশা ধুম করেই মরে গেলেন।সামান্য বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।দুইদিনের মধ্যেই সব শেষ।তার গ্রামের বাড়িতে ফোন গেল। শাহীনুর পাশার বড় ভাই মৌলানা মহীনুর পাশা হাসপাতালে সদলবলে এসে উপস্থিত হলেন।দলবল আর কেউ না।আত্নীয় স্বজন। মহিনুর পাশা হাসপাতালেপৌছে দেখলেন ঢোকার মেইন গেট বন্ধ।সরকারী হাসপাতাল।এখানে নিয়ম বড়ই জটিল। এক লোক জানাল,হাসপাতাল কমপ্লেক্সের গেট