by

    ফরিদ উদ্দিন সাহেবের ড্রাইভার আসে নি আজ। প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হচ্ছে তার। এদিকে অফিসের সময়ও হয়ে যাচ্ছে— জরুরি মিটিং। তিনি হাটতে শুরু করলেন। ঠিকমতো হাঁটতে পারলে এখনও বাস ধরা সম্ভব হবে। এ-ক’দিন খুব ঝামেলা গেছে তার। কাজের মেয়েটা লাফ দিলো ছাদ থেকে। প্রথমে ফরিদ সাহেব ভেবেছিলেন— যাক, আপদ বিদায় হয়েছে। কিন্তু পরে থানা-পুলিশ

by

  গ্রামের এক ভিক্ষুকের মুখে ফিবোনাক্কি রাশিমালা শুনলে চমকে উঠারই কথা। সাইফুর রহমান সাহেব চমকেই উঠলেন। তিনি চোখ বড় বড় করে বললেন, তুমি এগুলা কীভাবে জানলে? মজিদ মিয়া অমায়িক ভঙ্গিতে হাসে। মাটির দিকে তাকিয়ে বলে, চিন্তায় পাইছি। জটিল চিন্তা। একবার শুরু হইলে শেষ হইতে চায় না। রহমান সাহেবের খটকা লাগল। এতবড় গণীতের তথ্য চিন্তা করে

by

এক কাকডাকা দুপুরে ঘামতে ঘামতে আফজাল সাহেব অনুভব করলেন তার শরীরের চামড়া শক্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি ঘামাচির যন্ত্রণায় চুলকালিচ্ছেন আপন চামড়া অন্যমনস্কভাবে এবং এই সময়েই হঠাৎ তিনি চমকে উঠেন চামড়ার পুরুত্ব দেখে। তার চামড়া গন্ডারের চামড়ার মত পুরো হয়ে গেছে। আফজাল সাহেব আতঙ্কে প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন, যখন দেখলেন তার চামড়ার রঙ। কালো কালো। তিনি

by

    তারপর গল্প শুরু হইল মবিনুদ্দিনরে দিয়া। মবিনুদ্দিন হচ্ছেন মধ্যবয়স্ক, পয়সাওয়ালা লোক যিনি এক্সপোর্ট ইমপোর্টের ব্যবসা কইরা এত টাকা কামাইছেন যে তারে সমাজের বিচারে কওয়া যায় একজন সফল মানুষ। মবিনুদ্দিন হইলেন পত্রিকায় ফিচার নিউজ হওয়ার মত সফল মানুষ। তার টাকা, বাড়ি, গাড়ি, স্ত্রী , পুত্র কন্যাদির কথা বলব না। না বললেও কোন কোন পাঠকের