“নিয়ন্ত্রণ, এর সব কিছুর মূলে নিয়ন্ত্রণ। প্রতিটি স্বৈরশাসকের একটা অবসেশন থাকে, এবং এটা হলো এই নিয়ন্ত্রণ। প্রাচীন রোমে তারা লোকদের খাদ্য এবং সার্কাস দিয়েছিল। তারা জনগনকে বিনোদন দিয়ে ব্যস্ত রেখেছিল কিন্তু অন্য একনায়ক ব্যবস্থা অন্য পদ্বতি অবলম্বন করে জ্ঞান ও চিন্তাকে নিয়ন্ত্রনের জন্য। কীভাব তারা করে? শিক্ষা ব্যবস্থার মান নামিয়ে দেয়, সংস্কৃতিকে সীমাবদ্ধ করে, তথ্যকে সেন্সর করে, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হ্রাস করে, এবং এটা মনে রাখা প্রয়োজন এই প্যাটার্ন ইতিহাসে বার বার হয়ে আসছে।”
ক্যাটাগরি ফিল্ম
নোয়াহ’র অন্য বয়ান
এইরকম বিষয় নিয়া আগে একজন লোক চিন্তা করে গেছিলেন। তিনি একজন ডেনিশ ফিলোসফার। নাম তার সোরেন কীর্কেগার্ড, অনেকে লেখেন কীয়ের্কেগার্ড বানানে। ডেনিশ গোল্ডেন এইজে জন্মানো এই দার্শনিককে আধুনিক অস্তিত্ববাদের বাপ বলা হয়।
শাটার আইল্যান্ড, ট্রমা এবং লিঞ্চের লস্ট হাইওয়ে
এই ফিল্মের কাহিনী একই রকম আরেকটি ফিল্ম লস্ট হাইওয়ের (১৯৯৭) কথা মনে করিয়ে দেয়। ডেভিড লিঞ্চ লিখিত এবং পরিচালিত লস্ট হাইওয়ের আরেকটু বেশী কাফকায়েস্ক বা সারেয়াল।
নোলানের ডুডলবাগ এবং মানুষের অতীত খুনের নেশা
ক্রিস্টোফার নোলানের ১৯৯৭ সালে নির্মিত ডুডলবাগ একটি তিন মিনিটের শর্ট ফিল্ম। এতে দেখা যায় একটি কক্ষে একজন প্রায় উন্মাদ লোক। সে ভীত সন্ত্রস্ত। হাতে জুতা নিয়ে কিছু একটাকে মারতে চেষ্টা করছে। প্রথমে মনে হয় সে কিছু একটা হয়ত কোন পোকা বা ইঁদুরজাতীয় কোন প্রাণী। কিন্তু শেষের দিকে এসে দেখা যায় সেটি কোন পোকা নয়, ইঁদুরও…
হিচককের রোপ এবং নীচার উবারম্যানশ
রোপ (১৯৪৮) ফিল্ম শুরু হয় একটি খুনের মাধ্যমে। ব্র্যান্ডন শ এবং ফিলিপ মর্গান নামের দুই যুবক তাদের সাবেক এক সহপাঠীকে গলায় দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলে। তাদের এই খুনের কারণ একটাই। তারা মনে করে তারা আলাদা। পৃথিবীর সব নৈতিকতার বাইরে। এবং তারা এই খুনকে মনে করে পারফেক্ট মার্ডার এবং তাদের খুনের উদ্দেশ্য পারফেক্ট মার্ডার…