করোনা ভাইরাসের মত প্যানডেমিকের সাথে রাজনীতিও জড়িত থাকে বা জড়িত হয়ে পড়ে। বিদ্যমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে তেমনি এক চাইনিজ পলিটিক্স হতে করোনা ভাইরাস ইস্যু নিয়ে। চাইনিজ সরকার তাদের প্রোপাগান্ডা মেশিনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের ইতিহাস ভিন্নভাবে নির্মান করে যাচ্ছে। এটা একটা খুবই রিমার্কেবল ঘটনা। খুবই দ্রুত এবং ঘটতে থাকা বা প্রায় ঘটে যাওয়া ইতিহাসই তারা প্রায় বদলে…
ক্যাটাগরি ভূ-রাজনীতি ও ইতিহাস
ভারতে ইংরাজ কোম্পানির উত্থানের পেছনে নৈরাজ্য ও ভাগ্যের হাত
ঐতিহাসিক উইলিয়াম ডালরিম্পল ১৫৯৯ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে ১৮০৩ সাল পর্যন্ত এর বিস্ময়কর উত্থানের এবং ভারতীয় উপমহাদেশে আধিপত্য বিস্তারের ইতিহাস লিখেছেন তার নতুন বই দি এনার্কিঃ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, কর্পোরেট ভায়োলেন্স এন্ড পিলেজ অব এন এম্পায়ার’তে। সাধারণত তিনি যেসব উৎস বেশি ব্যবহার করা হয় নি এমন উৎস থেকে তথ্য নিয়ে…
মানুষের ইতিহাসঃ নারী নিপীড়নের শুরু
মহিলাদের উপর বৈষম্য বা নিপীড়ন সব জায়গায় একইরকম ছিল না। আবার সব সময় অপরিবর্তনীয়ও ছিল না। কৃষক সমাজে তা একরকম ছিল, অভিজাত শ্রেনীতে ছিল অন্যরকম। দাসদের মধ্যে ছিল আবার অন্য রকম। দাসেরা মেয়ে বা ছেলে যাইহোক না কেন, তারা নিজেরা বাড়ি করে থাকতে পারত না। বিধবারা ছিল সবখানেই কারণ তরুণ বয়েসে মৃত্যুর হার ছিল বেশী। কোন কোন সমাজে নারীদের কোন অধিকারই দেয়া হতো না, কোন সমাজে সম্পত্তি এবং বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার দেয়া হত। ১৯৮০’এর ফেমিনিস্টদের তত্ত্ব যেমন বলে পিতৃতন্ত্রের কথা সব জায়গায় মহিলাদের উপর নিপীড়ন একইরকম ছিল, তা নয়। তবে পূর্বের যে সমাজ ছিল অর্থাৎ প্রাথমিক সমাজতান্ত্রিক সমাজ, সেই সময়ের চাইতে নারীদের অবস্থা অনেক খারাপ ছিল।
জিজেকঃ সৌদি-কানাডার অহেতুক ঝগড়া দেখিয়ে দিচ্ছে নতুন ওয়ার্ল্ড অর্ডার
মুক্ত মানবতার জন্য বৈশ্বিক পুঁজিবাদ একটি আশাব্যঞ্জক স্বপ্নও দেখাতে পারছে না, আদর্শগত স্বপ্নও নয়। ফলে এই “টলারেন্স” নামের নতুন বিষয়টির উদ্ভব। ফুকুইয়ামাইস্ট উদার-গণতান্ত্রিক ইউনিভার্সালিজম ব্যর্থ হয়েছে তার ভেতরের সীমাবদ্বতার জন্য, অসংগতির জন্য। পপুলিজম বা লোকরঞ্জনবাদ হচ্ছে এই ব্যর্থতার লক্ষণ। এটাই হন্টিংটনের রোগ, যেমন এটাই ছিল।
আগামীর বিশ্ব বাণিজ্য এবং সুপারপাওয়ার আমেরিকার ভবিষ্যত
২০১৫ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ব্রেটন চুক্তি নিঃশেষ হয়ে যাবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন দূর্বল হবে, তাদের মধ্যে অনৈক্য বাড়বে। চিনের উন্নতি শিথিল হবে। আমেরিকা ১৫ বছর বাজার স্থিতিশীলতা, স্বাভাবিক অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সহজেই এনার্জি রিসোর্স প্রাপ্তির সুবিধা উপভোগ করবে। জেইহানের কথায়, ‘আসতে থাকা পৃথিবীতে আমেরিকার বাকী বিশ্বের সহযোগীতার তেমন কোন দরকার হবে না। ২০১৪ সালে আমরা সুপারপাওয়ার হিসেবে আমেরিকার শেষ দেখছি না, বরং তার সুপারপাওয়ার হিসেবে শুরুটার শেষ দেখছি মাত্র।’