তখন আসলে মানুষের সামনে দুটি পথ খোলা ছিল নিজেদের জীবনযাত্রা টিকিয়ে রাখার জন্য। এক হচ্ছে অন্য কৃষিভিত্তিক দলে আক্রমণ ও তাদের খাদ্য ছিনিয়ে নিয়ে আসা। ইউরোপের নিওলিথিক বিপ্লবে এইসময়েই যুদ্ধের কুড়াল এবং পাথরের ছুরি ব্যবহার খুব শুরু হয়। দ্বিতীয় পথটি ছিল কৃষি উৎপাদনের নতুন উন্নত পন্থা উদ্ভাবন। প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ছিল এক বিরাট সুবিধা। যেসব কৃষিভিত্তিক দল প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন করতে পেরেছিল তারা খরায় টিকে থাকতে পেরেছিল। যারা পারে নি তারা হয় মরে নিঃশেষ হয়েছে বা পিছনে পড়ে যায়।
ক্যাটাগরি ভূ-রাজনীতি ও ইতিহাস
মানুষের ইতিহাসঃ নব্য প্রস্তর বিপ্লব
পরিবারগুলি আলাদাভাবে এক খন্ড করে জমি চাষ করত। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলতে এখন আমরা যা বুঝে থাকি তার উৎপত্তি হয় নি। কোন পরিবারের সম্পদ জমানোর প্রচেষ্টাও তখন তৈরী হয় নি। পরিবারগুলি তাদের বংশানুক্রমিক আত্মীয়দের সাথে সামাজিক সম্পর্কের মাধ্যমে আবদ্ধ ছিল তাই তারা খাবার অন্যদের সাথে ভাগ করে নিত। যাতে যেসব পরিবারে ছোট বাচ্চা বেশী অথবা তাদের ফসল খারাপ হয়েছে, তারা যেন না খেয়ে না থাকে। নিজে একা একা খাওয়াতে সম্মান ছিল না, সম্মান ছিল অন্যকে সাহায্য করার মধ্যে।
মানুষের ইতিহাসঃ শ্রেণীর পূর্বে
কিন্তু এই বিভিন্ন গ্রুপগুলির মধ্যে জিনতাত্ত্বিক ব্যবস্থা রয়ে যায় পুরোপুরি অপরিবর্তিত। তাদের ভিতরের বুদ্ধিমত্তা, অন্যের ভাষা শেখার ক্ষমতা ইত্যাদি রয়ে যায় একইরকম। মানব প্রজাতি পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে থাকলেও তারা তাই একই প্রজাতিই রয়ে যায়। কোন গ্রুপ কীভাবে তার অবস্থা উন্নত করেছে তা তার ভিতরের ক্ষমতা থেকে নয়, যেহেতু সব দলেরই ভিতরের ক্ষমতা এক ছিল, বরং তাদের ঐ নির্দিষ্ট পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলার প্রবণতা এবং পরস্পরের সাথে সহযোগীতা দলগুলিকে উন্নত করেছে। এই অভিযোজন এর জন্যই মূলত বিভিন্ন সমাজে এসেছে বিভিন্ন ধরনের প্রথা, আচরন, পুরান, এবং রীতি।
ভূ-রাজনীতিঃ বিশ্ব রাজনীতিতে বড় শক্তি কী চায়?
বিশ্ব রাজনীতিতে কোন বড় শক্তি কেন নিজেদের ক্ষমতা বাড়াতে সব সময় সচেষ্ট থাকে, এই প্রশ্নের উত্তর এবং জন জে মার্শহেইমারের অফেন্সিভ রিয়ালিজমের আলোকে বিশ্ব রাজনীতির সিস্টেমকে দেখা হয়েছে এই লেখায়।
ইরান বিক্ষোভঃ কী হইতেছে ও কেন?
ইরানে অনেক মানুষেরা বিক্ষোভ করছেন তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য। বিক্ষোভ শুরু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর-পশ্চিমের মাশাদ শহরে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য জায়গায়। শুক্রবারে অনেক শহরে লোকেরা জমায়েত হন। শনিবারে তেহরানে প্রথমে জড়ো হয়েছিলেন কিছু লোক বিক্ষোভে, পরে তা কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভে রূপ নেয়। ছাত্রদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়, কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষোভ ভায়োলেন্স বা হিংসাত্মক কর্মকান্ডের দিকে চলে যায়।