অডিসি এক্সটার্নালরে রিজেক্ট করে, সে মানুষ হিশাবে দুনিয়াতে তার অবস্থান ও কাজ করার সীমা বুঝতে পারে। সে গড হইতে চায় না, অমরত্ব চায় না। বুদ্ধিমান হওয়ায় এইগুলার পিটফল সে ধরতে পারে। সে সব সময় ফিরে আসতে চায় ইথাকায়।
ক্যাটাগরি অবশ্যপাঠ্য
জীবন, মৃত্যু ও দার্শনিকীকরণ
দার্শনিকীকরণ হইল মৃত্যুরে শেখা দার্শনীকিকরণ হলো, মৃত্যুরে শেখা। লার্নিং হাউ টু ডাই। সিসেরোর কথা, যেটা সিসেরো সক্রেটিসের মৃত্যুরে আলিঙ্গন করাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন। মন্টেইন, একজন ওয়ান্ডারফুল স্টয়িক, ১৬ শতকের ফ্রেঞ্চ দার্শনিক, এসেইস্ট, রেনেসাম্যান এবং আধুনিক স্কেপটিসিজমের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তার প্রবন্ধসমগ্রের নামই তিনি দিয়েছিলেন এটা যে, দার্শনীকিকরণ হলো মৃত্যুরে শেখা। মৃত্যুরে তিনি ফ্রিডমের সাথে…
মানুষ কেন দান করে?
দি গ্রেটেস্ট মোরাল দার্শনিক পিটার সিংগার ১৯৭২ সালে যখন ‘ফেমিন, এফ্লুয়েন্স এন্ড মোরালিটি’ প্রবন্ধটি লিখেন, এবং মানুষকে একটি নৈতিক অস্বস্থির মধ্যে ফেলে দেন, তখন তার মধ্যে বাংলাদেশের চিন্তা ছিল। এটা একটা ইন্টারেস্টিং জিনিসই একজন বাংলাদেশীর জন্য। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের মানুষের অসহায় অবস্থা, দূর্ভিক্ষ দেখেই বুদ্ধিমান পিটার সিংগার তার বিখ্যাত থট এক্সপেরিমেন্টটি আনয়ন করেন। তিনি লেখেন, ধরা…
সমাজের সামগ্রিক ডিপ্রেশন বিষয়ে
কাল জিজেকের বই প্যানডেমিক পড়তে গিয়া কোরিয়ান-জর্মন ফিলোসফার বিং (বা বিয়ুং) চুল হানের দি বার্ন আউট সোসাইটি বইটাও পড়লাম। চুল হান বলতেছেন যে ওয়েস্টার্ন সমাজ মানুষরে ডিপ্রেস করে দিতেছে, এবং মানসিক সমস্যায় ফালাইতেছে তাদের একটা প্রতিযোগিতায় ফালাইয়া। যেই প্রতিযোগিতারে আমরা বলি ইঁদুর দৌড়। অমুক পারছে তবে আমি কেন পারব না, এই ধারণা ঢুকাইয়া দিতেছে মানুষের…
নিউ এথিজম ও রিলিজিয়নবাদীদের কমন প্যাটার্ন, এবং সাইন্স কী
নিউ এথিস্টরা (নিউ এথিজম মুভমেন্ট) যেমন ভুয়া অনেক কথা বলে, তাদের কাউন্টার করা রিলিজিওনপন্থী গুলি আরো ভুয়া বলে। এদের কাজ হইল নিজেদের দুই ধর্ম সাইন্টিসিজম আর ইসলাম বা হিন্দু ইত্যাদি নিয়ে তর্ক করা, ও কোনটা সেরা প্রমাণ করা। যেটা তারা করতে পারে না। বাট এন্টারটেইন করতে পারে। যেমন করোনা বিবেচনায় বলা হইতেছে, মানুষের বিপদে বিজ্ঞান…