প্রেম কখন প্রেমের গল্প হইয়া উঠে তা ভাবার বিষয়। সব প্রেমই প্রেমের গল্প হয় না। কোন এক মধ্যবিত্ত কুলওয়ালা বা তথাকথিত ভালো বংশজাত ছেলে আরেক ভালো বংশজাত মেয়ের প্রেমে পড়ল, তাদের বিয়ে হইয়া গেল বা হইল না। তারা দুইজন প্রেম পরবর্তী ঘর বানল, দুইজন একসাথে বা আলাদা আলাদা। এই প্রেমটি আসলে প্রেমের গল্প হয় না। কারণ এখানে কুলনাশ হয় নাই।
ক্যাটাগরি ব্লগ
AI: চেতন-অনুভূতি সম্পন্ন রোবটের অধিকার
নিজের বাচ্চাদের সাথে যেরূপ মমতার সম্পর্ক মানুষের, যেরূপে তারা নিজের বাচ্চাদের জন্য একটা সুন্দর বিপদ আপদহীন ভবিষ্যত নির্মানের জন্য সদা ব্যস্ত, যেরূপে তারা নিজের সন্তানের অধিকার নিয়া সচেতন, এইরূপ নিজেদের পোষা প্রাণীদের জন্য দরদ তাদের হয় না। মোটকথা মানব সমাজে এই সংস্কৃতি চালুই হয় নাই।
তথাকথিত প্রমিত ভাষাগিরির বিরুদ্ধে
মানুষ যখন বুড়ো হতে থাকে, তখন তার ভেতরে আসা শারিরীক মানসিক পরিবর্তনগুলির সাথে মিলিয়ে সে অন্য পরিবর্তনগুলি দেখে, ও তার মনে হয় সব পরিবর্তনই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দিকে যাচ্ছে, তাদের মাথায় থাকে ফেলে আসা এক দারুণ দিনগুলির স্মৃতি।
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামায় ফেইসবুকের অবদান
মিয়ানমারে রোহিংগাদের উপর যে নির্যাতন করা হলো, সেখানেও বড় ভূমিকা ছিল ফেইসবুকের। অশিন উইরাথু নামের যে উগ্র জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ভিক্ষু আছে, তার পাবলিক বক্তৃতা নিষিদ্ধ করে মায়ানমার সরকার। কিন্তু ভিক্ষু তার উগ্রতা ছড়ানোর জন্য ফেইসবুক বেছে নেন। তার অনুসরনকারীরা তার ফেইসবুক একাউন্টে ভীড় জমান। ফেইসবুকের জনপ্রিয়তা মিয়ানমারে বাংলাদেশের মতই, ইন্টারনেট বলতে লোকে ফেইসবুকই বুঝে।
সময় বিষয়ে সেনেকা
মানুষ কি আসলে বুঝতে পারে প্রতিদিন এর মূল্য? সে কি বুঝতে পারে যে আসলে প্রতিদিনই সে মারা যাচ্ছে? মৃত্যু হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া কোন একদিনের তাৎক্ষণিক ঘটনা না। প্রতিদিনই তা ঘটে যাচ্ছে। যখন আমরা মৃত্যুকে দেখতে সামনে তাকাই, তখন আমরা আসলে ভুল করি। মৃত্যু তো পেছনে, যেসব দিন আমাদের চলে গেছে, যেসব সময়, বছরকাল, সেসব তো এখন মৃত্যুর কব্জায়। মৃত্যু তা গ্রাস করে নিয়েছে। এক দেশের লোক যদি গড়ে ৫০ বছর বাঁচে, তাহলে সে দেশের কোন একজনের বয়স ২৫ হওয়া মানে প্রায় অর্ধেক জীবনই তার মৃত্যু খেয়ে নিয়েছে। এবং প্রতিদিন, প্রতি মুহুর্তে খেতে খেতে সামনে এগুচ্ছে।