“কাঁচা আমের রসটা অম্লরস– কাঁচা সমালোচনাও গালিগালাজ। অন্য ক্ষমতা যখন কম থাকে তখন খোঁচা দিবার ক্ষমতাটা খুব তীক্ষ্ণ হইয়া উঠে।”
সুখী মানুষের জামা
আধুনিকতার একটা ব্যাপার হল মানুষদের মনে নিত্য নতুন চাহিদা উসকে দেয়। মিডিয়া এবং আরো নানা মাধ্যমে এই উসকানোর কাজ চলে। এবং আধুনিক মানুষেরা অনুভব করতে থাকে তাদের ভেতরে জন্ম নিচ্ছে নতুন চাহিদা, ভোগ বিলাশ কিংবা খ্যাতির আকাঙ্খা। মানুষের ভোগের আকাঙ্খাও যেন অন্যের দ্বারা নির্দেশিত। মিডিবাজির যুগে বলা হচ্ছে অমুক জিনিস তোমার দরকার, অমুক জিনিস ভোগ…
নোয়াহ’র অন্য বয়ান
এইরকম বিষয় নিয়া আগে একজন লোক চিন্তা করে গেছিলেন। তিনি একজন ডেনিশ ফিলোসফার। নাম তার সোরেন কীর্কেগার্ড, অনেকে লেখেন কীয়ের্কেগার্ড বানানে। ডেনিশ গোল্ডেন এইজে জন্মানো এই দার্শনিককে আধুনিক অস্তিত্ববাদের বাপ বলা হয়।
শাটার আইল্যান্ড, ট্রমা এবং লিঞ্চের লস্ট হাইওয়ে
এই ফিল্মের কাহিনী একই রকম আরেকটি ফিল্ম লস্ট হাইওয়ের (১৯৯৭) কথা মনে করিয়ে দেয়। ডেভিড লিঞ্চ লিখিত এবং পরিচালিত লস্ট হাইওয়ের আরেকটু বেশী কাফকায়েস্ক বা সারেয়াল।
নোলানের ডুডলবাগ এবং মানুষের অতীত খুনের নেশা
ক্রিস্টোফার নোলানের ১৯৯৭ সালে নির্মিত ডুডলবাগ একটি তিন মিনিটের শর্ট ফিল্ম। এতে দেখা যায় একটি কক্ষে একজন প্রায় উন্মাদ লোক। সে ভীত সন্ত্রস্ত। হাতে জুতা নিয়ে কিছু একটাকে মারতে চেষ্টা করছে। প্রথমে মনে হয় সে কিছু একটা হয়ত কোন পোকা বা ইঁদুরজাতীয় কোন প্রাণী। কিন্তু শেষের দিকে এসে দেখা যায় সেটি কোন পোকা নয়, ইঁদুরও…