রিডলি স্কটের ঐতিহাসিক এপিক ফিল্ম কিংডম অব হ্যাভেন বিষয়ে লেখা। অভিনয় করেছেন লিয়াম নীসন, এডওয়ার্ড নর্টন, অরলান্দো ব্লুম, ঘাসান মাসঊদ।
ক্যাটাগরি ফিল্ম
দ্য ব্রাদারসাম ম্যান হইল দার্শনিকের জন্ম বিষয়ে
আন্দ্রেজ এমন একটা দুনিয়ায় বাস করে, যে দুনিয়ার সব লোকই সুখী। তারা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে (যেমন, সোফা কিনা) নিয়ে সুখী হাসাহাসি করে, গল্পগুজব করে, কর্মক্ষেত্রে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলে, কিন্তু আলটিমেটলী তাদের আবেগ নাই, অনুভূতি নাই।
চার্লি যে মেসেজ দেয় শুন্দরী পেন্ডে ও পান্ডাদের
চার্লি ফিল্মের কাহিনীর দুর্বলতা হইল, চার্লির মানবিক অবস্থানের বাইরে আর কোন অবস্থান নাই। স্বস্তা কিছু জিনিস, চমক টমক, মানুষরে চমকে দেয়া ইত্যাদিতেই মগ্ন সে। অবশ্য সে একবার মারমুখী হয় ম্যারীর বাচ্চারে বাঁচাইতে তার বাপের হাত থেকে, ফলে তার বিপ্লবী স্বত্তা যে নাই তা না। কিন্তু কাহিনীকার তারে ফুটাইয়া তুলতে পারেন নাই, বা ইচ্ছা কইরাই তিনি তার চরিত্ররে পুরা দেখান নাই।
আমেরিকান হিস্টোরী এক্স ও এডওয়ার্ড নর্টন
থ্রিলারের একটি টেকনিক হলো হঠাৎ মাঝখান থেকে শুরু করা। যেমন লেখা হলো বা দেখানো হলো তিনজন লোক মরে পড়ে আছে আর একপাশে পিস্তল হায়ে খুঁড়িয়ে যাচ্ছে নায়ক। সে গিয়ে বসল এক জায়গায়। তখন তার স্মৃতিতে দেখানো শুরু হলো কীভাবে এসব ঘটনা ঘটল, সে কে, যারা মরে পড়ে ছিল তারা কে, ইত্যাদি। আমেরিকান হিস্টোরী এক্স এই ফর্ম অনুসরন করেছে।
দ্য লাইভস অব আদারসঃ অন্যের জীবনসমগ্র
মানুষের নিজস্ব অবচেতনের বাইরেও একটি কালেকটিভ বা সমগ্র অবচেতন রয়েছে। এই সমগ্র অবচেতন সে পেয়েছে তার প্রজাতিগত উত্তরাধিকার হতে। এই সমগ্র অবচেতনে, প্রতিটি মহিলার ভেতরে রয়েছে একটি পুরুষস্বত্তা এবং প্রতিটি পুরুষের ভেতরে রয়েছে এক নারী স্বত্তা।