২। গ্রোথ হ্যাকিং হলো নিয়মিত ও দ্রুততম উপায়ে বিভিন্ন হাইপোথিসিস ঠিক করা এবং তা পরীক্ষা করা। এটি একটি ট্রায়াল এন্ড এরর মেথড। একটি নিয়ত ক্রিয়েটিভ প্রসেস, যেখানে প্রচুর আইডিয়া তৈরি করতে হয় এবং এগুলি পরীক্ষা করে দেখতে হয় কেমন কাজ করে। একটা কাজ করলেও টেস্ট করা বন্ধ করা যাবে না। গ্রোথ হ্যাকিং শব্দটির প্রবক্তা শন ইলিসের মতে, গ্রোথ হ্যাকিং হলো টেস্ট/পরীক্ষা নির্ভর মার্কেটিং প্ল্যান। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি টেস্ট না চালালে এটি গ্রোথ হ্যাকিং নয়।
ব্যবসায় যেভাবে গল্প ব্যবহার করবেন
আপনি একটি কয়েন হাতের মুঠোতে নিলেন। আরেক হাত দিয়ে ইশারা করলেন এই হাতের দিকে। আর পরে হাত খুলে দেখালেন কয়েনটি নেই। এতে ঘটনা ঘটলো কিন্তু সাধারণ হলো বিষয়টা, কেন ঘটল তার পেছনের কারণ পাবেন না শ্রোতারা বা দর্শকেরা।
কিন্তু একই ঘটনায় আপনি এক হাতে কয়েন নিলেন মুঠোতে। এরপর এক হাতে একটি মোমবাতি জ্বালালেন। জ্বলন্ত মোমবাতি কয়েন ধরা হাতের নিচে ধরণের। মুখ দিয়ে আপনি অভিনয় করলেন ভেতরে কয়েনটি গলে যাচ্ছে আর আপনি ব্যথা পাচ্ছেন। এরপর হঠাৎ হাত খুলে দেখালেন কয়েনটি নেই।
গদ্য পরম্পরাঃ বাংলা কথাসাহিত্যের ভাষা
গদ্য পরম্পরা বইতে আদি যুগ থেকে বিংশ শতাব্দীর সাতের দশক পর্যন্ত ৪৮৫ জন লেখকের প্রতিনিধিত্বমূলক শ্রেষ্ট গদ্য লেখার অংশ রয়েছে। এটি সংকলিত করেছেন ফাদার দ্যতিয়েন। ফাদার পল দ্যতিয়েন বেলজিয়ামে জন্ম নেয়া জেজুইট সম্প্রদায়ভুক্ত একজন খ্রিস্ট সন্ন্যাসী। তিনি কলকাতায় যান ১৯৪৯ সালে, এবং বাংলা ভাষা রপ্ত করেন ভালোভাবে। বাংলায় তিনি গুরুত্বপূর্ন লেখালেখি করেছেন, এবং গদ্য পরম্পরা বইটি তার আরেকটি কৌতুহল উদ্দীপক কাজ যা লেখকদের খুবই উপকারে আসতে পারে।
সহিংসতার ভূমিকাঃ পুরুষত্ব, সম্মান ও সহিংসতা
কিছু জায়গায়, বিশেষত ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ডে ওয়ার্কিং ক্লাস লোকদের মধ্যে খালি হাতে ফাইট জনপ্রিয়তা পায়। উনিশ শতকের শুরুর দিকে ইংল্যান্ডে নিম্ন বিত্ত লোকদের ফাইটে ছুরির ব্যবহার বন্ধ হতে খালি হাতে ফাইট শুরু হয়। তারা মনে করতো কোন ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করে ফাইট হলো আন-ইংলিশ বা অ-ইংরেজসুলভ। এসব যুদ্ধের আগে প্রতিদ্বন্ধীরা পরস্পর হাত মেলাতেন। দর্শকেরা গোল বৃত্ত তৈরী করে তাদের ঘিরে রাখতেন। মারাত্মক ফাইট শুর হতো এবং কোন একজন চালিয়ে যেতে অসক্ষম না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকতো যুদ্ধ। ফাইট ক্লাব ফিল্মের ফাইট ক্লাবের ধারণা এই ইতিহাস থেকেই এসেছে।
পাবলিয়াস সাইরাসের উপদেশাবলী
পাবলিয়াস সাইরাস (৮৫-৪৩ বিসি) ছিলেন একজন সিরিয়ান লোক এবং রোমান দাস। তিনি তার বুদ্ধি ও প্রতিভা দিয়ে তার মালিকের সম্মান আদায়ে সক্ষম হন। মালিক তাকে শিক্ষা অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
পাবলিয়াস সাইরাস বিখ্যাত তার নীতিবাক্যগুলির জন্য। তার নীতিবাক্য নিয়ে যে বইটি আছে তার নাম দ্য মোরাল সেইংস অব পাবলিয়াস সাইরাস, এ রোমান স্লেইভ।